শৌনক দত্ত

সেই দুপুরে স্নানের ঘ্রাণ

 

ঘুঘুমারির সেই পুকুরে অরুণেশ ঘোষ কবিতা লেখেন,

দূরে একাকী মৃত্যু গাছটি দাঁড়িয়ে…তার হলুদ,

সবুজ ছোট ছোট ফলে বিষন্নতার জপমালা।

হাজার বছর ধরে আমি জানালায় নতজানু…

বন্ধুর বাড়ি নেমে যেতে চেয়ে দেখেছি ডুব সাঁতারের ইকো।

নিজেকে কুড়িয়ে সিন্ধু আজ হেলে পড়া সবুজ মিউজিয়াম!

 

আমার কোথাও যাবার কথা নদীর নৈবেদ্যে

উজ্জয়িনীর ভেজা সময় জড়ো হয়ে আছে মেঘলা পকেটে

কার ঠিকানায় পাঠাবো কদম ফুলের অক্ষর অ্যাশট্রের কথা ?

এমন আবছা শ্রাবণ দিনলিপি ভর করে থাকে

মায়ের আঁচল মশলাঘ্রাণ আর কিছু সংসারী বোতাম।

 

এইসব কাশ দীর্ঘ রাত…শরত বাহানায় জিইয়ে রাখে

কুমারটুলির মৃৎস্বপন। ম্যাপের আঁখড়ে জিইয়ে রাখা সারি সারি

নদীনালা ও অরণ্যের জলছবি থেকে পৃথিবীর সবশেষ

অন্ধকার উঠে আসে,কবি গহীন গোনে।

 

হারিয়ে  যাওয়া প্রেমের শোক ঘুম হয়ে ঝরে।

তাঁর ডাকনাম মুগ্ধতায় আমি পাশ ফিরে শুই।

অন্ধ হয় ‘দীর্ঘ নীরবতা’ ‘গুহা মানুষের গান’

অথচ আমার তাবৎ জাতক চোখ আঁকা আছে

পিতলের কাজলদানীতে

ভাঙ্গনের খুচরো ডাক চোখের মায়ায় যেখানে

হ্যাজাক খোঁজে সন্ধ্যার চাতাল।