এলা বসু

সবুজ আংটি

 

 

কোনও ছায়া তেমন অনুগত নয় বলে বৃক্ষ পুষিনা আর কৃত্রিম আলোর ভিড়ে।

যদিও জানি,  দেখে নেওয়া বাকি হাজারদুয়ারি জীবন —

 

প্রতিটি ছাতার  নিচে  ঘাতকের  ফিসফাস।

মধ্যরাতে জতুগৃহের পোড়া গন্ধে অবিশ্বাস!

 

শৈশব, কৈশোর যৌবনের  তেরঙ্গা  লাশে –

আবির ও আগুন  পাশাপাশি নিশ্চল হাসে।

 

আজ এক অতিকায় সুমহান তালা লগ্নভ্রষ্টা চাঁদের মুখোমুখি !

 

গোটা রাত চাঁদের মুখোমুখি।

 

বন্ধ্যা, রুক্ষ কঠিন একদলা মাটি ।

 

দৌড় দৌড় দৌড়….

পাখি একলাফে পগারপার ।

 

অস্থির  ফুরসতে

ফুৎকারে নিভিয়ে তারিখ  সাল,

চলে যাই যদি দুধেভাতে হাঁই তোলা বিকেলে,

মালপোর গন্ধে জেগে উঠে যদি

কাঁদতে বসি হারানো গুলির শোকে,

দৌড়ে তুমি আসবেতো? ও পালাই  কাকিমা,  সূর্য্যমুখী দুপুর থেকে?

বেলুনওলার সবুজ  আংটি দেবে তো আবার?

বলো আলুর  পুতুলের  দিব্যি?

 

এক আঁজলা স্মৃতি যদি মাছ-কৌটোয়  ভরে রাখি,

পারবে না মা কুয়োর পাশে আবছা আঁধার হতে ?