সপ্তর্ষি হোড়

 

তমসো মা জ্যোতির্গময়

 

প্রাণহীনতার সংকটে ডুবে থাকা শরীর

সাপলুডো খেলে, কানামাছি ভোঁ ভোঁ…

এক অশরীরী ছায়া মেঝেতে বিছানা পাতে

.এক অশরীরী ছায়া খাটে এপাশ-ওপাশ৷

সূর্যকিরণহীন গৃহে ভোর হয় না কখনো ,

নির্বাক মুখ খুঁটে খায় চূর্ণ অন্ধকার।

অভিমান ফুঁড়ে ছুটে আসা আলো

ঝগড়া হয়ে ভেঙেচুরে মিশে যায় অন্ধকারে ৷

পরতে পরতে জমে থাকা সেইসব রাতের মাথায়

দাঁড়িয়ে থাকে সবজান্তা এক নিশাচর।

সে হাসতেও জানে না, কাঁদতেও জানে না,

তার নৈবেদ্য হয়ে বসে থাকি আকাঙ্ক্ষার রেকাবে,

সে খেতেও জানে না৷

মনগুলো মই বেয়ে ওঠে, সাপের ছোবলে নামে…

মনগুলো ছুটোছুটি, যাকে পাব তাকে ছোঁব…

অন্ধকারের বিপরীতে ওড়ে আত্মাপোড়া ছাই ৷

কিছু নিষ্পাপ শিকড় তবুও দেওয়াল ভেদ করে ভেজা মাটির দিকে,

কিছু নরম কচি ডগা ফাটলে মাথা ঢুকিয়ে আলোর দিকে৷