বিশ্বজিৎ আঁকুড়ে

যে সম্বলে লালন করি ভোর 

 

 

বিনয় সম্বল করে হাঁটা যায় সামান্যই পথ

যেভাবে দীর্ঘমেয়াদী আমানতে পাওয়া

এক চিলতে ক্ষয় ক্ষয় রোদ

একটা আস্ত শূন্যের কাছে কিছু প্রস্তাব রেখে

যাবতীয় খারাপবাসাকে বরখাস্ত করতে পারি

 

ফতুর হয়ে যাওয়া বোধের কাছে নত হয়ে

একটা গানই দিতে পারি তোমার হাতে…

যাকে তুমি অস্ত্র করে নিতেই পারো

মৃত্যুর অথবা জন্মের

 

এই নিশুতি নিশি-ডাক অনন্ত খরচের পা-ফেলা

হিসেবের চৌকাঠ পেরতে না পারা আমিই জানি

সকল উল্লাসের ভেতর নিগূঢ় কোনও আমোদ থাকে না

টেরা চাহনির দৃশ্যকল্পে নাপসন্দ ইন্ধনও থাকে না

 

সেসব মাঠ-ভর্তি শ্রাবণ ভাসা মেধাবী জ্যোৎস্না

হাত-বদল হয় যেসব অ-শোকের নিজস্ব পথ

গুলিয়ে যায় দূরত্ব রাখার যাবতীয় পরিমাপ…..

দংশন করে রাত দংশন করে ভুল করে লেখা গদ্য

 

বিনয় সম্বল করে হেঁটেছি সামান্যই পথ

নেড়ে-ঘেঁটে দেখেছি ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা

শোকের ত্বকে জেগে আছে এক  বিনম্র স্বর