বিকাশ সরকার

ঘোড়া

 

 

গলি তস্য গলি থেকে রাজপথে যাওয়ার প্রস্থ ছোট না হলে উদয়অস্ত নিখাদ প্রেমে ডুবে থাকা

পাপ বাপ হতে পারত না। বাপ হওয়ার কৌশল সিটিসেন্টারের শতাব্দী প্রাচীন পুকুর জানে না

বলেই বহুতল। ভূতল থেকে তুলে নিচ্ছে দুআনি চারআনি জল। কল থেকে যে নায়িকারা প্রতিদিন

বিশুদ্ধ জলজ উদ্ভিদের ইউরিক অ্যাসিড মাপার বাটপারিটা শেখান তিনি সোম এবং বৃহস্পতি

ফুলঝোড় হাটে দুহাতে পেঁড়িগুগলির খোসা ছাড়াতে ছাড়াতে বিন্দাস। মীনরাশির জাতকেরা।

খাসজমিতে ভুলক্রমে লাগিয়েছিল দু’চারটে ঘাস। ঘোড়া এবং ঘাস অচল জেনেই ফুটো টায়ার

সারানোর টেরাচোখের মালিক রোজ জোড়া শালিক দেখতে দেখতে শুরু করে রাজাকাজ। আজ

দুপুরে রাস্তার দুধারের গাছ কুড়লপ্রেমীদের খপ্পরে পড়ে মহাজনটুলি, ঘুলঘুলি দিয়ে দেখতে চায়

নির্মল আকাশ। চোখে ঠুলিপরা ঘোড়া রাজপথে দৌড়াতে দৌড়াতে ক্লান্ত, বাতিল, বিধস্ত বাস্তিল।

বামহাত হলেও চলবে যাদের তারাই ধাবমানতার গতি মাপতে অগতির গতি। মতিগতি ঠিকঠাক

থাকলে বাজার দাঁপাবে কাঁপাবে শেয়ার বাজারের ঘোড়া।