বিশ্বজিৎ  লায়েক

জীবন এক কাঙালের মতো বাড়িয়েছিল হাত

 

কোনো দুঃখই আজ তক লিখে যেতে পারলাম না

তাই নিজিকে লিখে লিখে বেসামাল পুড়িয়ে দিলাম আয়ু

আর গাজনের গান

আর কী নেবে স্বপ্নের মতো কুড়িয়া পাওয়া আদিম জীবনের কালযাপন

শান্তি ছিল না বলেই আমার গোলাপি শহরের দিকে যাওয়া হল না।

যাওয়া হল না কোনো নীরব  লিরিকের দিকে

শুধু উড়িয়ে দেওয়া হল ঠোঁটে লেগে থাকা লিপস্টিক

 

এই দেখো বৃষ্টি নামল বলে সব প্রেম গেল গাঙুড়ের জলে ভেসে

কেঁপে উঠল ইনবক্সের ছবি

অন্ধ তারা তুমি আর স্ফুরণে যেয়ো না  ঘুমিয়ে থাকো কাঙালের মতো

আমি হাসিটুকু নিয়ে ফিরে যাব মা, বউ আর ছেলেদের কাছে

কোনো রহস্যই মুগ্ধ করো না আর দম নিতে ক্লান্ত করে

না আর নয় এবার  বিস্মিত হও পুড়ে পুড়ে যাও

যেখানে যাওয়ার ছিল না সেই কারুকাজে যাও অথবা ছাতিমের বনে

পরাগ মুছে মুছে আমার আর অবশেষ নেই

কোনো শোক নেই

বিভ্রম নেই কাঁটাতার নেই ক্ষুধা নেই তৃষ্ণা নেই

নেই যুধিষ্টির

আমি এক বিপন্ন বক

আর কার কাছে জানতে চাইব বল

মৃত্যু সুখ দুঃখ বিশ্বাস ভয় জয় পরমার্থ কী কেন কোথায়

 

তোমাদের ভোঁতা লাগামের ফলা না দিতে পারে  চাষ না দিতে পারে ফসল

জীবন এক কাঙালের মতো বাড়িয়েছিল হাত

কামিনী নয় কাঞ্চন নয় মুগ্ধতায় কেবল বিশ্বাস রাখতে শেখো

কারা বলেছিল এত কথা কেউ শোনেনি অথচ

না শুনেই হাততালি দিয়েছিল জলে জলে মেঘে মেঘে

যারা ঘুরছিল চিরকাল