অজিতেশ নাগ 

বিশ্রামের অছিলায় 

অবশেষে ঘুম এল চোখে; আধবোজা ভাবলাম বিচক্ষণ চোখের এবার বিশ্রাম,

এক শুষ্ক সন্ধেমাখা দেশে সকালের যাবতীয় প্রান্তর নিঃশেষিত,

ডানার সাথে ডানা ঘষে অযৌক্তিক হেমন্ত চলে গেছে না ফেরার স্বপ্ন নিয়ে,

সেই অবশেষ ঘুম এক শিলালিপির পাঠোদ্ধার করে যায়; বাকি সবটাই ফাঁকি,

আমি সৌর পরিবারে আমন্ত্রিত এখন। তরঙ্গের পর তরঙ্গ এক একজন সৈনিক;

আর মাটির মায়া করি না, মোহবিচ্যুত নক্ষত্রের মতো। সারাদিন প্রার্থনা, প্রার্থনা…

এখন বিশ্রাম চায়। নিস্ফল, নিস্ফল। পিতাহীন জারজ সন্তান অপ্রকাশে গায়;

ভগবানে আস্থা রাখে, প্রসাদ খায়, বিতরণ করে। সেই বিশ্বাসের বিশ্রাম এবার।

সেই দেশে নাটমন্দির হোক, হোক দেবদাসীশোভিত সন্ধ্যানৃত্যগীত। মনোরম;

বাঘের সাথে এক বিছানায় সহাবস্থান। হায়! কোথায় প্রকৃত বিশ্রাম!

সেই তো এক জীবন। মৃত্যু নেই, কারাগার নেই, শুধু সুখের যন্ত্রণা এবার।